Skip to main content

Posts

সোনাদিয়ার সৈকতে

মা টির সরু পথ চলে গেছে ম্যানগ্রোভ বনের ভেতর দিয়ে, থেমেছে বঙ্গোপসাগরের কূলে।  সোনাদিয়া সৈকতের উদ্দেশে মহেশখালীর ঘটিভাঙ্গা থেকে আমাদের যাত্রা। এই প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার সময় বারবার মনে হলো, সাগরবুকের ছোট্ট সুন্দর এই জায়গাটি যেন বাকি ভূখণ্ড থেকে আলাদা। তিন-তিনটি সাগর চ্যানেলের ওপর দুটি সেতু ও একটি বাঁশের সাঁকো দিয়ে জোড়াতালি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে একে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে।   সোনাদিয়া সৈকতের নীল স্বচ্ছ জলরাশি ইনানী, সেন্টমার্টিন—এই দুই সৈকতের কথা তো অনেকেরই জানা। তবে শান্ত- নিরিবিলি সোনাদিয়া সৈকত চেনেন কম মানুষই। সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে বেশ কিছুকাল থেকে।    এখানে আসতে হলে অবশ্য একটু প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন।  জোয়ার থাকলে নৌকায় করেও যাওয়া যায়। তবে হেঁটে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কেননা, প্যারাবনের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় দুই চোখ ভরে যাবে অসাধারণ সব দৃশ্য দেখে।  সাগর চ্যানেলে জেলেদের মাছ ধরা, ছোট ছোট নালাসমৃদ্ধ বনের সৌন্দর্য এবং সে বনের নুনিয়া, সাদা, কালো বাইনসহ নানা ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ আপনাকে মুগ্ধ করবে।  ভাটা...

ভাত কি ওজন বাড়ে?

অ নেক দিন ধরেই একটি প্রচলিত ধারণা আমাদের রয়েছে যে ভাত খেলে আমাদের ওজন বাড়ে। এ কারণে অনেকে ভাত এড়িয়ে চলেন। কিন্তু আসলে তা ঠিক নয়। দেখা যায়, ভাতের সঙ্গে মাছ-মাংস ও হরেক রকম ভর্তা থাকছে। ভর্তা থাকলে ভাত বেশি খাওয়া হয়। একটু একটু করে নিতে নিতেই অনেক খাওয়া হয়। ভাতে ক্যালরি বেশি, তার ওপর যুক্ত হয় অন্য খাবারের ক্যালরি। কেউ কেউ পাঁচ-সাতটা পদ দিয়ে দুপুরের ও রাতের খাবার খায়। খাবারের পদ যত বেশি হবে ভাত নেওয়ার পরিমাণও ততটাই বেশি হবে। কিন্তু এটা আসলে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এমনকি ভাত যদি অল্পও নেওয়া হয় তবু সব পদ খেতে হয়। তরকারিতে সাধারণত তেল, লবণ ও মসলার পরিমাণ বেশি থাকায় এসব খাওয়ার ফলে শরীরের ক্ষতি হয়। এ ব্যাপারে বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন্নাহার আলো বলেন, প্রতি বেলা দুই-তিন পদ খাবার খাওয়া ভালো। পাঁচ-সাত পদ থাকলে তা দুপুরে ও রাতে ভাগ করে খেতে হবে। যেমন যদি তরকারি ছয় পদ থাকে তাহলে দুপুরে তিন পদ আর রাতে তিন পদ খাওয়া উচিত। মাছ-মাংস থাকলে তা অল্প পরিমাণে খেতে পারেন। প্রতি বেলা দুই-তিন পদ খাবার খাওয়া ভালো। পাঁচ-সাত পদ থাকলে তা দুপুরে ও রাতে ভাগ করে খেতে হবে।   ভ...

গরমে শীতল ঘর

বা ইরে প্রখর রোদ।  মনে হয় ঘরে বসে থাকলে হয়তো দুদণ্ড শান্তি মিলবে।  কিন্তু ঘরে গিয়ে দেখেন সেখানেও শান্তি নেই। লোডশেডিং আর রোদের কারণে বাড়ি গরম হয়ে থাকে।  তাহলে কীভাবে মিলবে আরাম।   ঘর শীতল রাখার বিষয়টি বাড়ি বা ফ্ল্যাট নির্মাণের সময়ই খেয়াল রাখতে হবে। বাড়ি বা ফ্ল্যাট উত্তর-দক্ষিণ দিক করে তৈরি করতে হবে। কেননা, দক্ষিণ দিক থেকে বাতাস ঢুকে উত্তর দিক দিয়ে বের হবে। সে সঙ্গে গরমকেও নিয়ে যাবে। হয়তো কোনো বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সেটি পশ্চিম দিকে তৈরি করা। তাহলে সূর্যের আলো যেন কম প্রবেশ করে সে ব্যবস্থা করতে হবে।হালকা রঙের ভারী পর্দা ব্যবহার করতে পারেন।বড় বড় জানালা রাখা প্রয়োজন।বাড়িতে যত বাড়তি জিনিস ও আসবাবপত্র কম রাখা যায় ততই ভালো। শীতল ঘরের নমুনা রেডিয়েন্ট ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন ডিজাইনের চেয়ারপারসন গুলশান নাসরীন চৌধুরী বলেন, ঘর শীতল রাখতে ঘরের সঙ্গে বারান্দায় গাছ রাখতে হবে। এতে রোদের তাপ গাছ শোষণ করবে। ঘর ঠান্ডা থাকবে। শুধু তাই নয়, ঘরের ভেতরেও রাখতে পারেন নানা আকারের গাছ। আরও কিছু পরামর্শ— - যাঁরা ছাদের নিচের তলায় থাকেন, তাঁদের বাসায় অন্যদের তুলনায় গরম বেশি থাকে। তাঁরা...

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে রোজ ডাল খান

আ পনার বাড়িতে কি রোজ ডাল রান্না হয়? তা হলে আপনার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মসুর, ছোলা, মটর ও বিনস জাতীয় ডাল রোজ খেলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। বিভিন্ন প্রকার বি ভিটামিন থাকার পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম থাকে ডালে। এ ছাড়াও ডালে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইবার থাকার কারণে ডাল লো-গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খাবার। অর্থাত্, ডাল খাওয়ার পর রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ার গতি কমে যায়। ফলে সপ্তাহে এক দিন ডাল খেলেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যেতে পারে ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত। ডাল রান্নার ছবি স্পেনের রোভিরা ই ভারগিলি ইউনিভার্সিটির গবেষক নিরা বেকেরা-টমাস জানাচ্ছেন- প্রতি দিন ব্রেড, ভাত, আলু ও ডিম মিলিয়ে যে পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন খাওয়া হয়, তা অর্ধেক কমিয়ে দিয়ে সেই পরিমাণ ডাল খেলেও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে। ২০১৫ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ৪০ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এই সমস্ত গুণের কারণেই ডাল খাওয়ার ব্যাপারে সচেতনতা গড়ে তুলতে দ্য ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন ২০১৬ সালকে আন্তর্জাতিক ড...

মানুষের সঙ্গে মিশতে হবেঃ চে গুয়েভারা

বিপ্লবী এর্নেস্তো চে গুয়েভারার জন্ম ১৪ জুন ১৯২৮ আর্জেন্টিনায়। ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর বলিভিয়ায় তাঁকে আহত অবস্থায় আটক করে হত্যা করা হয়। কিউবা বিপ্লবের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১৯৫৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব লাস ভিয়াসের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে চে এই ভাষণ দেন। আ জ আমাকে এখানে যে মর্যাদায় ভূষিত করা হলো, তা শুধু আমি বিনম্রভাবে এ দেশের জনগণের পক্ষ থেকে গ্রহণ করতে পারি, ব্যক্তি হিসেবে নয়। ব্যক্তি এর্নেস্তো গুয়েভারা কীভাবে স্কুল অব এডুকেশনের পক্ষ থেকে সম্মানসূচক ডক্টর উপাধি লাভ করতে পারে যেখানে তাঁর শিক্ষার পুরোটাই এসেছে গেরিলা ক্যাম্প, তিক্ত বাদানুবাদ আর সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে? আমি বিশ্বাস করি, আমার শিক্ষাকে ক্যাপ আর গাউনে রূপান্তর করা যায় না। তাই আমি আজকেও তোমাদের সামনে আমাদের সেনাবাহিনীর সম্মানে সামরিক পোশাকে এসেছি। এই উপাধি গ্রহণের শুভক্ষণে আমি আমাদের সেনাবাহিনীকেও পূর্ণ গৌরবে উপস্থাপন করতে চাই। আমি একবার এই ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে আমার ভাবনাকে তাদের সামনে তুলে ধরব। হাজারো ঘটনা আর কাজের চাপে এত দিন আমি স...

ভিন্ন স্বাদে কাঁচা আম

বাজারে চলে এসেছে কাঁচা আম। ভর্তা বা শরবত তো আছেই, এর বাইরে জেনে নিন কাঁচা আম দিয়ে তৈরি ভিন্ন স্বাদের কিছু রেসিপি। রেসিপি দিয়েছেন জেবুন্নেসা বেগম- কাঁচা আমের সালাদ উপকরণ: কাঁচা আমের টুকরা আধা কাপ, গাজর আধা কাপ, ক্ষীরা অথবা শসা আধা কাপ, ড্রেসিংয়ের জন্য লেটুসপাতা আধা কাপ, কাঁচা আমের পেস্ট আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ১টি, লেবুর রস ১ চা-চামচ, সরিষা বাটা ১ চা-চামচ, চিনি আধা চা-চামচ, লবণ সামান্য ও অলিভ অয়েল ১ চা-চামচ। প্রণালি: আম, গাজর, ক্ষীরা ও লেটুসপাতা টুকরা করে নিন। আমের পেস্টের সঙ্গে বাকি উপকরণ মিশিয়ে সালাদ ড্রেসিং তৈরি করতে হবে। এরপর একসঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করুন। আম-মুরগির কোরমা উপকরণ: মুরগির মাংস ১ কেজি, কাঁচা আমের টুকরা ১ কাপ, তেল অথবা ঘি ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, গরমমসলা কয়েকটি, আদা বাটা ১ চা-চামচ, রসুন বাটা আধা চা-চামচ, পোস্তদানা বাটা ১ চা-চামচ, টকদই ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৩-৪টি ও লবণ স্বাদমতো। প্রণালি: ঘিতে পেঁয়াজ লাল করে ভেজে গরমমসলা দিতে হবে। এরপর বাকি সব মসলা কষিয়ে টকদই মাখানো মুরগি দিতে হবে। মুরগি সেদ্ধ হওয়া...

মাটির পণ্যের খোঁজে

বাংলা নববর্ষের আগে আগে বাঙালিয়ানা আমেজের ছোঁয়া এখন সব জায়গায়। সব জায়গাতেই চোখে পড়ছে বৈশাখের নানা সামগ্রী। পয়লা বৈশাখের দিনটিতে নিজের বাড়ি সাজিয়ে তুলতে পারেন দেশি উপকরণের ছোঁয়ায়। নানা রকম মাটির সরা, শখের হাঁড়ি, বিভিন্ন আকারের মাটির কলসি, ছোট খেলনা, ফুলদানি, সানকি ইত্যাদি এখন প্রায় সব জায়গাতেই পাওয়া যাচ্ছে। মাটির এসব জিনিসপত্রে নকশা আঁকা হয় বর্ণিল রঙে। কোনো হাঁড়িতে ফুল-কল্কে আঁকা, কোনো সরায় মাছ, হাতির ছবি আঁকা—এমন পণ্য ঘরটাকে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে। পয়লা বৈশাখে খাবার পরিবেশন করা যেতে পারে মাটির থালা-বাটিতে। আবার ঘরের কোণে ঠাঁই পেতে পারে মাটির রঙিন কলসি, ফুলদানি ইত্যাদি। এ ছাড়া মাটির গয়না পাওয়া যাচ্ছে এখন। যেখানে পাবেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের উল্টো দিকে রয়েছে মাটির নানা পণ্যের দোকান। সারা বছর এ দোকানগুলোতে কেনাকাটা চললেও বৈশাখের আগে আগে কেনাবেচা বেশি হয়ে থাকে। দোকানগুলোতে মাটির সানকি পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। ২৫০ টাকার মধ্যে মাটির পাতিল পাওয়া যাবে। নকশা আঁকা পাতিলের দাম ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত গড়াতে পারে। কলসির দাম পড়বে ১৫০ থেকে ৩৫০ ...

রাতজাগা অভ্যাস নাকি বদভ্যাস?

একটি বিজ্ঞাপনের বেশ জনপ্রিয় সংলাপ ছিল, ‘এমনি এমনি খাই’। রাতজাগা সম্পর্কে তরুণদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিজ্ঞাপনটির কথা মনে পড়ে গেল। অধিকাংশ তরুণের বক্তব্যের সারাংশ, ‘এমনি এমনি রাত জাগি’! রাতের নিস্তব্ধতার সৌন্দর্য অন্য রকম, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। পড়ালেখার জন্য কারও কাছে রাতটাই প্রিয়, কেউ হয়তো গভীর রাতে বসে লিখে ফেলছেন গান-গল্প-কবিতা। কোনো এক উঠতি তরুণ বিজ্ঞানী হয়তো রাত জেগে জটিল সমীকরণের সমাধান খুঁজছেন। তাঁদের কথা ভিন্ন। কিন্তু নিতান্তই ‘অকারণ’ রাতজাগায় অভ্যস্ত, এমন তরুণের সংখ্যাও কম নয়। কথা হচ্ছিল ইনডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের শিক্ষার্থী সাফওয়ানের সঙ্গে। বললেন, ‘একটা সময় রাত জেগে পড়ালেখা করতাম। গান শুনতাম। টিভি দেখতাম। এখন কিছু না করলেও রাতে ঘুম আসে না। চারটা-পাঁচটার আগে জোর করেও ঘুমাতে পারি না। পরদিন সকাল আটটায় ক্লাস থাকলেও না।’ আরেক শিক্ষার্থী রেদোয়ান রাতজাগার অভ্যাসের পেছনে দায়ী করলেন ফুটবলকে। ‘ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ দেখতে দেখতে রাতজাগার অভ্যাস হয়েছে। এখন খেলা না থাকলেও রাতে ঘুম আসে না।’ তরুণদের কাছে রাতজাগার আরেক মহৌষধের নাম ফেসবুক। লাইক, কমেন্ট, শে...

বসার ঘরে স্নিগ্ধতা

দরজা খুলেই তো অতিথিদের নিয়ে যেতে হবে বসার ঘরে। নিজেও বাড়িতে ঢুকেই হয়তো দুদণ্ড জিরিয়ে নেন এ ঘরের সোফাতেই।  পর্দা, আসবাব, দেয়ালের রং, নানা রকম শোপিস—সব মিলেই কিন্তু সেজে উঠবে এই ঘরটি। এসবের সামঞ্জস্যে নিজের রুচি অনুযায়ী সাজিয়ে তুলুন এই ঘরটি। তা নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার গুলশান নাসরীন চৌধুরী।‘ বসার ঘরের সজ্জার বড় একটা অংশ জুড়ে থাকে আসবাব। সময় এবং ব্যবহারকারীদের রুচি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে আসবাবের ধরন। বাহারি নকশা, ব্যবহারে আরামদায়ক এমন নিত্যনতুন আসবাবই আজকাল সবার কাছে বেশ জনপ্রিয় এবং গ্রহণযোগ্য।’ বলেন গুলশান  নাসরীন চৌধুরী। বসার ঘরে বসার জায়গাটার কথাই আগে মাথায় আসে।  আজকাল নিচু ধাঁচের সোফার কদর বেশি। এতে ব্যবহূত হচ্ছে নানা আকারের বাহারি কুশন। অনেকেই বসার ঘরের দেয়ালের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে সোফার কুশন ব্যবহার করে থাকেন। আবার ম্যাট্রেস দিয়েও বসার ব্যবস্থা করা যায়। আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে চা-কফি তো থাকবেই। নানা ধরনের কফি  টেবিল বা টি-টেবিল থাকতে পারে সোফার পাশেই। উডকিউব কিংবা উডব্লক সাইডটেবিলের মতো আসবাবগুলো ব্যবহারকারীদের পছন্দের তা...

ক্ষুধার্ত থেকো, বোকা থেকো

স্টিভ জবস বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল ও অ্যানিমেশন স্টুডিও পিক্সারের (টয় স্টোরি, ফাইন্ডিং নিমো, মনস্টার ইনকরপোরেটেড, ওয়াল-ই, আপ-এর মতো অসাধারণ অ্যানিমেশন তৈরি করেছেন) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন বক্তা হিসেবে ২০০৫ সালে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন স্টিভ জবস। সে বছর ১২ জুন এক ঝাঁক তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীর সেই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যে ভাষণটি তিনি দিয়েছিলেন, সেটি সত্যিই অসাধারণ। প্রথমেই একটা সত্য কথা বলে নিই।   আমি কখনোই বিশ্ববিদ্যালয় পাস করিনি। তাই সমাবর্তন জিনিসটাতেও আমার কখনো কোনো দিন উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন পড়েনি। এর চেয়ে বড় সত্য কথা হলো, আজকেই কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান সবচেয়ে কাছে থেকে দেখছি আমি।   তাই বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে নিজেকে অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। কোনো কথার ফুলঝুরি নয় আজ, স্রেফ তিনটা গল্প বলব আমি তোমাদের।   এর বাইরে কিছু নয়। আমার প্রথম গল্পটি কিছু বিচ্ছিন্ন বিন্দুকে এক সুতায় বেঁধে ফেলার গল্প।   ভর্তি হওয়ার ছ...