Skip to main content

Posts

Showing posts with the label অধুনা

আমার বৈশাখ আমার গর্ব

আ র এক দিন পেরোলেই চৈত্রসংক্রান্তি।  তার পরদিন পয়লা বৈশাখ—নতুন বছরের প্রথম দিন।  দেশজুড়ে সবখানেই চলছে নববর্ষ বরণের প্রস্তুতি।  শিক্ষার্থীদের মনে সাজ সাজ রব।  গত শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে কথা হয় কজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে। বৈশাখী উৎসব নিয়ে এক একে বেরিয়ে আসতে থাকে প্রত্যেকের পরিকল্পনার কথা।  ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সারজিনা ত্রিমা বলেন, ‘চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে নতুন বছরের সূর্যোদয়ের পর থেকেই ঢাকার সব পথ যেন মিশে যাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোহনায়। আমি যেহেতু আলোকচিত্রী, তাই সারা দিন ছবি তুলেই সময় কাটবে।’ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের জাবের হায়দার বলেন, ‘ভোরবেলাতে থাকব রমনা বটমূলের অনুষ্ঠানে। এরপর ভাবছি পান্তা-ইলিশ মুখে পুরেই বেরিয়ে পড়ব ঢাকার বাইরে আশপাশে কোথাও।’ আইন বিভাগের তাসনিন সারা বলেন, ‘আমাদের আইন বিভাগ থেকে প্রতিবছরই বৈশাখী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে থাকছি। এরপর লালবাগ কেল্লায় যাব বন্ধুরা মিলে।’  সাদিয়া আনজুম আশারাফী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসি থেকে পাস করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে পাবলিক হেল...

এই রোদ এই বৃষ্টি

এ খনকার আবহাওয়াটাই হচ্ছে যেন রোদ-বৃষ্টির খেলা। হঠাৎ বৃষ্টি হচ্ছে—বেশ ঠান্ডাভাব, আবার হঠাৎ করে রোদ উঠে যাচ্ছে, তাতে গরম লাগছে। তাই এ সময়টায় বাসা থেকে বের হওয়ার আগে প্রস্তুতি নিয়েই বের হতে হবে। ‘সারা দিন যাদের বাইরে থাকতে হয় তাদের এমন পোশাক পরতে হবে, যেটা বৃষ্টিতে ভিজলে সহজে শুকিয়ে যাবে আবার রোদ উঠলে গরমে আরামদায়ক লাগবে’—এ সময়কার প্রস্তুতি নিয়ে বলছিলেন ফ্যাশন হাউস তহু’জ ক্রিয়েশনের ফ্যাশন ডিজাইনার তৌহিদা তহু। আপনার গন্তব্যস্থল কোথায়, সেটা বিবেচনা করে এ সময়টাতে পোশাক নির্বাচন করতে হবে। মেয়েদের জন্য যেসব কাপড় সহজে শুকায় হাফ সিল্ক, জর্জেট, হালকা সিল্ক ধরনের অর্থাৎ কৃত্রিম তন্তুর পোশাক এ সময় ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ এসব কাপড় বৃষ্টিতে ভিজে গেলেও শুকিয়ে যায় আবার গরমেও মানানসই হয়। তবে এ সময় রাজশাহী সিল্ক ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ, বৃষ্টিতে কাপড় ভিজে গেলে তাতে কাপড়ের বুননের ক্ষতি হতে পারে। সাধারণত একরঙা কাপড় না পরে ছাপা কাপড় পরাটা ভালো। রংচঙে ছাপা কাপড় পরলে যদি বৃষ্টিতে ভিজেও যায়, তবু দেখতে অস্বস্তিকর মনে হয় না। পুরুষেরা গাঢ় রঙের সিনথেটিকের শ...

রাতজাগা অভ্যাস নাকি বদভ্যাস?

একটি বিজ্ঞাপনের বেশ জনপ্রিয় সংলাপ ছিল, ‘এমনি এমনি খাই’। রাতজাগা সম্পর্কে তরুণদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিজ্ঞাপনটির কথা মনে পড়ে গেল। অধিকাংশ তরুণের বক্তব্যের সারাংশ, ‘এমনি এমনি রাত জাগি’! রাতের নিস্তব্ধতার সৌন্দর্য অন্য রকম, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। পড়ালেখার জন্য কারও কাছে রাতটাই প্রিয়, কেউ হয়তো গভীর রাতে বসে লিখে ফেলছেন গান-গল্প-কবিতা। কোনো এক উঠতি তরুণ বিজ্ঞানী হয়তো রাত জেগে জটিল সমীকরণের সমাধান খুঁজছেন। তাঁদের কথা ভিন্ন। কিন্তু নিতান্তই ‘অকারণ’ রাতজাগায় অভ্যস্ত, এমন তরুণের সংখ্যাও কম নয়। কথা হচ্ছিল ইনডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের শিক্ষার্থী সাফওয়ানের সঙ্গে। বললেন, ‘একটা সময় রাত জেগে পড়ালেখা করতাম। গান শুনতাম। টিভি দেখতাম। এখন কিছু না করলেও রাতে ঘুম আসে না। চারটা-পাঁচটার আগে জোর করেও ঘুমাতে পারি না। পরদিন সকাল আটটায় ক্লাস থাকলেও না।’ আরেক শিক্ষার্থী রেদোয়ান রাতজাগার অভ্যাসের পেছনে দায়ী করলেন ফুটবলকে। ‘ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ দেখতে দেখতে রাতজাগার অভ্যাস হয়েছে। এখন খেলা না থাকলেও রাতে ঘুম আসে না।’ তরুণদের কাছে রাতজাগার আরেক মহৌষধের নাম ফেসবুক। লাইক, কমেন্ট, শে...

পড়া চাই নানা বই

লেখাপড়া করে যে গাড়িঘোড়া চড়ে সে। কিন্তু সেটা কি কেবল পাঠ্যবই পড়লেই হবে? পাঠ্যবইয়ের বাইরেও চাই বহুমাত্রিক পড়াশোনা। আর সেটা হতে পারে বাংলা বা ইংরেজিসহ যেকোনো ভাষার বই যেকোনো বিষয়ে। আসলে এ যুগে সমাজে টিকে থাকার অন্যতম উপায় হলো তথ্য বা ইনফরমেশনকে নিজের মুষ্টিগত করে ফেলা। যে যত বেশি পড়ে, সে তত বেশি জানে।  প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা অনুযায়ী আমাদের দেশে ছেলেমেয়েরা তাদের পাঠ্যবইয়ের বাইরে বই পড়ার তেমন সুযোগ পায় না বললেই চলে। প্রধান কারণ হিসেবে বলা হয়, স্কুলের সময়ের বাইরে গৃহশিক্ষকের হ্যাপা সামলিয়ে বাড়তি পাঠের জন্য সময় নেই। কিন্তু একুশ শতক পাঠ্যবইয়ের শিক্ষাকে বাস্তবজীবনের জ্ঞানের সঙ্গে সমন্বয়ের কথা বলে। এই সমন্বয়টা অনেকখানি পোক্ত হয়, যখন আমরা পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষাকে আমলে নিই। আসলে পাঠ্যবইয়ের বাইরের বই ছেলেমেয়েদের মনে একটা নতুন জগতের দরজা খুলে দেয়।  পাঠ্যবইয়ের বাইরে পড়ার অনভ্যাসের চিত্র আমাদের দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনেকখানি একই রকম। তবে বিশেষ করে ইংরেজি মাধ্যমের অবস্থাটা একটু ভিন্ন। কারণ, ইংরেজি ভাষাটা তাদের দখলে থাকলেও বাংলা ভাষায় তারা অনর্গল পড়তে বা লিখতে পারে না। সে ক্...

কাগজের বই, ই–বই

অনেকের মতো ছোটবেলা থেকেই আমার বেশি ঝোঁক ছিল বই পড়ার দিকে৷ ঘরে খুব বেশি থাকা হতো, তাই সময় কাটানোর সেরা মাধ্যম ছিল বই পড়া৷ তবে এর চেয়েও যেটি বেশি ছিল তা হলো, বিচিত্র সব বিষয়ের প্রতি আগ্রহ৷ ভালো লাগত নতুন কিছু জানতে, নতুন কিছু সম্পর্কে পড়তে৷ বেশির ভাগ কিশোরের যেমন কিশোর অ্যাডভেঞ্চার বা রহস্য গল্পের দিকে আগ্রহ থাকে, আমারও তাই ছিল৷ তবে ক্লাস সেভেন–এইটে উঠে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আর সৈয়দ মুজতবা আলী পড়ে ফেলি৷ বই পড়া কিংবা সংগ্রহের ব্যাপারে কিশোর বয়সে আমাকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন আমার শিক্ষক চন্দ্রনাথ সাহা৷ বৃত্তির জমানো টাকা দিয়ে বই কেনা হতো, টাকা জমিয়ে বই কেনাটা ওই বয়সেই স্থান করে নিয়েছিল অভ্যাসের তালিকায়৷ শুয়ে-বসে হাতে তুলে নিয়ে অলসদুপুর কিংবা কোনো অবসরে বই নিয়ে পড়ে থাকা, বইয়ের পাতা ওল্টানোর সঙ্গে সঙ্গেই গল্পের ভেতর ধাপে ধাপে এগোনো আর বইয়ের পাতার ঘ্রাণে গল্পের জীবন্ত হয়ে ওঠা—এই ব্যাপারগুলো অনুভব করতাম৷ এখনকার তরুণ প্রজন্মও সেই অনুভূতিগুলো অনেকটা একই রকমভাবে ধরে রেখেছে নিজেদের মানসে৷ যে কারণে কাগজের পত্রিকার প্রতি নির্ভরতা কমে এলেও তরুণেরা কাগজে ছাপা বই-ই পছন্দ ক...

অফিসে এমন খাবার

ভাত নেব, নাকি সালাদ নেব? শুধু ফল খাব, নাকি চা খেয়েই কাটিয়ে দেব পুরো দুপুর? কর্মজীবীদের প্রায় প্রতিদিন এ বিষয়গুলো কিছুটা হলেও ভাবায়। অনেকের আবার কাজের চাপে খিদে পায় বেশি।  দুপুরে খাওয়াও হয় ভালোমতো। ফলাফল, ইশ্ যদি একটু ঘুমাতে পারতাম, একটু বিশ্রাম নিতে পারতাম—এ ধরনের কথাগুলো মাথায় ঘুরপাক খেতে শুরু করে। একটু চিন্তা করলে দেখা যায়, দুপুরের খাওয়া ও তার পরিমাণ হওয়া উচিত এমন, যাতে মন ভরবে, পেট ভরবে, কিন্তু খাওয়ার পর ভারী বোধ হবে না। পাশপাশি বাকি দিনটিতে কাজ করার জন্য প্রাণশক্তিও এনে দেবে।  পুষ্টিবিদরা বলেন, দুপুরে ডিম, মুরগি অথবা সবজির তৈরি স্যান্ডউইচ খেতে পারেন। গরুর মাংস পাতলা করে কেটে আদা, রসুন ও গোলমরিচ দিয়ে মেরিনেট করে খেতে পারেন। এ ছাড়া সাসলিকের সঙ্গে আলাদা রুটি ও দুই টুকরো আলু খাওয়া যায়। এতে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যাবে। তবে দুপুরে শুধু সালাদ খাওয়া ভালো নয়, এতে শরীরে ধীরে ধীরে অলসতা তৈরি হয়। কারণ, শুধু সালাদ খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পাওয়া যাবে না। যত বিকেল হবে, কাজ করার আগ্রহ তত কমে যাবে। এ কারণে দুপুরে সালাদের সঙ্গে একটু কার্বোহাই...

যত্নে থাকুক ঘরের সবুজ

যত্নে থাকুক ঘরের সবুজ ঘরের কোণে একটুখানি সবুজের আশায় যে গাছটি রাখা আছে, এই শীতে তা কতটুকু ভালো আছে? সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য রাখা সেই গাছের ম্রিয়মাণ হয়ে যাওয়ায় কেমন খাপছাড়া লাগছে না আপনার ঘর? তবে এটাও সত্য যে আপনার ঘরে রাখা রাবারবট, ক্যাকটাস, কচুরিপানা, বড়নখা, চীনা পদ্ম সবই যেন ঝিমিয়ে পড়ে এই মৌসুমে। এমনকি গ্রীষ্মকালীন অনেক গাছ মরেও যায়। শীতের হিম ঠান্ডা হাওয়াই মূলত এর জন্য দায়ী। তবে সংরক্ষণের উপায়ও আছে। এই অবস্থায় এই সময় গাছের পুষ্টিকর খাবার অর্থাৎ সারমিশ্রিত মাটি, ঠিকঠাকমতো পানি দেওয়া এবং যে গাছগুলো রোদ পায় না সেগুলোকে দু-এক দিন পর পর রোদে দিয়ে ভালো রাখা যেতে পারে।’ রাবারবট, ক্যাকটাস, পাতাবাহারের মতো গাছগুলোর মাটি শুষ্ক হয়ে যায় এ সময়। এ জন্য এসবে নিয়মিত পানি দিতে হবে। তবে লক্ষ রাখতে হবে যেন গোড়ায় পানি না জমে যায়। এতে আপনার গাছটি মরে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। রাবার প্ল্যান্টগুলোর পাতা উজ্জ্বল দেখাতে পানি দিয়ে পাতা মুছে দিতে পারেন।  অনেকে কচুরিপানা, বড়নখা, গুড়িপানা সংরক্ষণ করেন। এগুলো সতেজ রাখতে দু-এক দিন পর পর পানি পরিবর্তন করা ভালো, নয়তো সার ব্যবহারের ফলে পানি বিষাক্ত হয়ে পড়তে প...

অফিসে যেতে দেরী নয়।

প্র তিদিন অফিসে পৌঁছাতে দেরি হয়। একেক দিন একেক কারণ। এদিকে উপস্থিতির খাতায় দেরীর কারণে লাল লাগ পড়ে যাচ্ছে। মাস শেষে অফিস থেকে জানিয়ে দেওয়া হল কত দিন দেরী। এবারও বসের রাগী মুখটা আবার দেখতে হলো। যদি এই পরিস্থিতিতে পড়তে না চান তাহলে অফিসে যেতে কেন দেরী হচ্ছে, তা আগে ভাবুন। এরপর দিন মানসিক প্রস্তুতি। ঠিকমতো মানসিক প্রস্তুতি থাকলে দেখবেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই পৌঁছে যাচ্ছেন অফিসে। কীভাবে অফিসে আগে পৌছানো সম্ভব সে বিষয়ে বেশ কিছু পরামর্শ হচ্ছে নিম্নরূপঃ-  অফিসে সঠিক সময়ে যেতে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠতে হবে। এ জন্য রাতে ঘুমিয়ে পড়ুন আগেভাগেই। ঘুমের আগে চা, কপি পরিহান করুন। নতুবা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।  যাদের ভোরে ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস নেই, তারা হুট করে এক দিনেই অভ্যাস করার চেষ্টা করবেন না। বরং প্রতিদিন একটু একটু করে ভোরে ঘুম থেকে ওঠার চর্চা করুন। নতুবা হঠাৎ করে শুরু করলে তন্দ্রাচ্ছন্নতায় সারাদিনের কাজ মাটি হবে।  আপনার ঘড়ির সময়টি সঠিক সময় অনুসরণ করছে কি না, পরখ করে নিতে ভুলে যাবেন না। সঠিক সময়ের চেয়ে ১০ মিনিট এগিয়ে রাখলে প্রতিযোগিতাময় পৃথিবীতে আপনি এগিয়ে গেলেন কিছুটা সম...