যত্নে থাকুক ঘরের সবুজ
রাবারবট, ক্যাকটাস, পাতাবাহারের মতো গাছগুলোর মাটি শুষ্ক হয়ে যায় এ সময়। এ জন্য এসবে
নিয়মিত পানি দিতে হবে। তবে লক্ষ রাখতে হবে যেন গোড়ায় পানি না জমে যায়। এতে আপনার গাছটি
মরে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। রাবার প্ল্যান্টগুলোর পাতা উজ্জ্বল দেখাতে পানি দিয়ে পাতা
মুছে দিতে পারেন। অনেকে কচুরিপানা, বড়নখা, গুড়িপানা সংরক্ষণ করেন। এগুলো সতেজ রাখতে দু-এক দিন পর পর
পানি পরিবর্তন করা ভালো, নয়তো সার ব্যবহারের ফলে পানি বিষাক্ত হয়ে পড়তে পারে। আবার এ সময় গাছের গোড়ার মাটি স্যাঁতসেঁতে হয়ে যায়। এ জন্য মাঝেমধ্যেই এগুলো রোদে দিতে
হবে। সেই সঙ্গে গোড়ার মাটি নেড়েচেড়ে দিতে হবে।
ঘরের কোণে একটুখানি সবুজের আশায় যে গাছটি রাখা আছে, এই শীতে তা কতটুকু ভালো
আছে? সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য রাখা সেই গাছের ম্রিয়মাণ হয়ে যাওয়ায় কেমন খাপছাড়া লাগছে
না আপনার ঘর? তবে এটাও সত্য যে আপনার ঘরে রাখা রাবারবট, ক্যাকটাস, কচুরিপানা, বড়নখা,
চীনা পদ্ম সবই যেন ঝিমিয়ে পড়ে এই মৌসুমে। এমনকি গ্রীষ্মকালীন অনেক গাছ মরেও যায়। শীতের
হিম ঠান্ডা হাওয়াই মূলত এর জন্য দায়ী।
তবে সংরক্ষণের উপায়ও আছে। এই অবস্থায় এই সময় গাছের পুষ্টিকর খাবার অর্থাৎ সারমিশ্রিত মাটি, ঠিকঠাকমতো পানি
দেওয়া এবং যে গাছগুলো রোদ পায় না সেগুলোকে দু-এক দিন পর পর রোদে দিয়ে ভালো রাখা যেতে
পারে।’
সারা বছরের মতো শীতের সময়ও নিয়মিত যত্ন করতে হবে। গাছের পাতায় পানি স্প্রে করতে হবে,
যাতে পাতায় ময়লা না জমে। পোকামাকড়ের আক্রমণ এই সময় কম হয়। তবে শীতের শেষে কিংবা বসন্তের শুরুতে দেখা দিতে পারে
এই আক্রমণ। তাই নিমপাতা সেদ্ধ পানির সঙ্গে পরিমাণমতো মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে স্প্রে করা
যেতে পারে।
যেসব গাছ এ সময় ফুল দেয় না, সেগুলোর পরিবর্তে মৌসুমি ফুলের গাছ স্থাপন করা যেতে পারে।
জলজ শেওলাগুলো এ সময় মরে যায়। তাই শীতের সময় এ জায়গায় অন্য গাছ রাখা যেতে পারে। আরেকটি
বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে, যেসব গাছ এ সময় বাড়ে না, সেগুলাতে সার কিংবা অন্য ওষুধ
দিয়ে বাড়ানোর চেষ্ট করার দরকার নেই, এতে গাছের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো
তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো

Comments