Skip to main content

ওয়েবসাইট বানাতে চান



দিন যত যাচ্ছে বাড়ছে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে নানা ধরনের কাজের চাহিদা। এর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাজ হচ্ছে ওয়েবসাইট ডিজাইন। বিশেষ করে আউটসোর্সিংয়ের কাজে ওয়েবসাইট ডিজাইনের বেশ চাহিদা রয়েছে। নিজের মধ্যে সৃজনশীলতা আছে এমন যে কেউ এ কাজে আসতে পারেন। মূলত ওয়েবসাইট খুললেই যে বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখা যায়, সেটিই হচ্ছে ডিজাইন।গ্রাফিক ডিজাইন শেখা থাকলে খুব সহজেই ওয়েবসাইটের ডিজাইন করা সম্ভব। অ্যাডোবি ফটোশপ শিখেও এ কাজ করা যাবে। তবে ভালোভাবে শিখতে চাইলে আরও কিছু সফটওয়্যারে দক্ষতা লাগবে।ওয়েবসাইট ডিজাইনার নুসরাত জাহান জানালেন, ‘বেশ কিছু সফটওয়্যারে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে ওয়েবসাইট ডিজাইনের কাজটি অনেক সহজ। যেমন ফটোশপের মাধ্যমে শুরুতেই ওয়েবসাইটের একটা চেহারা দাঁড় করানো যায়। পরে সেটি নিয়ে গ্রাহকের চাহিদা কিংবা নিজের পছন্দ অনুযায়ী অনেক কিছু যোগ করা সম্ভব।’ এ ছাড়া ওয়েবসাইট অলংকরণের কাজগুলোর জন্য রয়েছে ইলাস্ট্রেটর সফটওয়্যার। এর বাইরে ওয়েবসাইটকে সত্যিকার অর্থে অর্থবহ করে তুলতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হাইপার টেক্সট মার্ক-আপ ল্যাংগুয়েজ (এইচটিএমএল)। এইচটিএমএল জানা থাকলে ওয়েব ডিজাইন করা যায় সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে। আরেকটি জরুরি জিনিস হলো ক্যাসকেড স্টাইল শিট (সিএসএস)। সিএসএস হলো ডিজাইন আকর্ষণীয় করে তোলার অন্যতম হাতিয়ার।
The image of Website

ওয়েবসাইটে গ্রাফিকসের প্রচুর কাজ করা হয়। এ ছাড়া অ্যানিমেশন যোগ করতে প্রয়োজন ফ্ল্যাশের। সুন্দর ও আকর্ষণীয় অ্যানিমেশনের মাধ্যমে ওয়েবসাইটকে জীবন্ত করে তোলা যায়। পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট তৈরি করতে প্রোগ্রামিং ভাষা জানা দরকার। এ জন্য জাভা স্ক্রিপ্ট, পিএইচপি, মাইএসকিউএল শেখা যেতে পারে। জাভাস্ক্রিপ্টকে স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজও বলা হয়। জাভাস্ক্রিপ্ট শুধু ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যারে (ব্রাউজার) চলতে পারে। জাভাস্ক্রিপ্টের সাহায্যে একটি ওয়েবসাইট ডাইনামিক হতে শুরু করে। জাভাস্ক্রিপ্ট ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার উভয় দিকেই কাজ করতে পারে ও ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা নিয়ে তা প্রক্রিয়া করে সার্ভারে পাঠাতে পারে। আরও আছে পিএইচপি। এটিও একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। পিএইচপি একটা সার্ভার সাইড ও ক্রস প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ। এর উদ্দেশ্য হলো ওয়েব পেজকে দ্রুত তৈরি করা। পিএইচপি ব্যবহার করে কাস্টম কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিএমএস) তৈরি করা যায়। এ ছাড়া ই-কমার্স, অনলাইন ব্যাংকিং সফটওয়্যার ইত্যাদি তৈরিতেও পিএইচপি ব্যাপকভাবে ব্যবহূত হচ্ছে। আরেকটি হচ্ছে মাইএসকিউএল। মাইএসকিউএল হচ্ছে একটা ডেটাবেইস সিস্টেম, যা বিনা মূল্যে পাওয়া যায়।

এগুলোর ওপর একজন ওয়েব ডিজাইনারকে পুরোপুরি দক্ষ করে তোলা সক্ষম। ইন্টারনেটে এসব বিষয়ে রয়েছে বিস্তর ভিডিও এবং লিখিত টিউটোরিয়াল। সেগুলো দেখে ধারণা নেওয়ার পাশাপাশি চর্চা চালিয়ে যেতে পারলে সহজেই কাজটি শেখা সম্ভব। এছাড়াও বাংলা ও ইংরেজিতে ওয়েবসাইট ডিজাইন বিষয় অনেক বই দেশেই পাওয়া যায়। চাইলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রিও নিতে পারেন। তবে নিজে নিজে শিখতে পারলে ভালো কিছু করা সম্ভব।  তেমনি একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে ঃ W3Schools.com তাছাড়া বাংলায় নিজে নিজে শিখতে চাইলে আইটি বাড়ীর ভিডিও টিওটোরিয়ালগুলি সংগ্রহ করতে পারেন। 


Comments

Popular posts from this blog

মাটির পণ্যের খোঁজে

বাংলা নববর্ষের আগে আগে বাঙালিয়ানা আমেজের ছোঁয়া এখন সব জায়গায়। সব জায়গাতেই চোখে পড়ছে বৈশাখের নানা সামগ্রী। পয়লা বৈশাখের দিনটিতে নিজের বাড়ি সাজিয়ে তুলতে পারেন দেশি উপকরণের ছোঁয়ায়। নানা রকম মাটির সরা, শখের হাঁড়ি, বিভিন্ন আকারের মাটির কলসি, ছোট খেলনা, ফুলদানি, সানকি ইত্যাদি এখন প্রায় সব জায়গাতেই পাওয়া যাচ্ছে। মাটির এসব জিনিসপত্রে নকশা আঁকা হয় বর্ণিল রঙে। কোনো হাঁড়িতে ফুল-কল্কে আঁকা, কোনো সরায় মাছ, হাতির ছবি আঁকা—এমন পণ্য ঘরটাকে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে। পয়লা বৈশাখে খাবার পরিবেশন করা যেতে পারে মাটির থালা-বাটিতে। আবার ঘরের কোণে ঠাঁই পেতে পারে মাটির রঙিন কলসি, ফুলদানি ইত্যাদি। এ ছাড়া মাটির গয়না পাওয়া যাচ্ছে এখন। যেখানে পাবেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের উল্টো দিকে রয়েছে মাটির নানা পণ্যের দোকান। সারা বছর এ দোকানগুলোতে কেনাকাটা চললেও বৈশাখের আগে আগে কেনাবেচা বেশি হয়ে থাকে। দোকানগুলোতে মাটির সানকি পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। ২৫০ টাকার মধ্যে মাটির পাতিল পাওয়া যাবে। নকশা আঁকা পাতিলের দাম ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত গড়াতে পারে। কলসির দাম পড়বে ১৫০ থেকে ৩৫০ ...

বসন্ত উৎসব-২০১৭

বসন্তের সমীরণে ফাল্গুনের প্রথম দিনে পুরো ঢাকা শহর সাজে ফাগুন সাজে। হলুদ, কমলা ও বাসন্তী রঙ্গের ছোঁয়া সবার মধ্যে।  যে যার মতো করে এই দিনে ঘুরতে বের হন। কারও সঙ্গে পরিবার বা বন্ধুবান্ধব।  নগরজুড়েও থাকে নানা আয়োজন। প্রতি বছরের মতো এ বছরও বসন্তেকে বরণ করা হবে নানা আয়োজনে। বসন্ত উৎসব জাতীয় বসন্ত উদযাপন পরিষদ দুই দশক ধরে পয়লা ফাল্গুনে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করে আসছে।  বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ফুল ও ছবির প্রদর্শনী, পোশাক, সাজসজ্জা ও দেশজ সংস্কৃতির পরিবেশনার মাধ্যমে বসন্তকে স্বাগত জানানো হয়। ভোরের আলো ফুটতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মূখরিত হতে লাগল হাজার প্রাণের স্পন্দনে।  সূর্যি মামার দেখা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দলে দলে মানুষজন জড়ো হতে লাগল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকল অনুষদের বকুলতলায়। সবাই যে একসঙ্গে বসন্তকে বরণ করবে। বাসন্তী রঙ্গের শাড়িতে মেয়েরা আর ছেলেরা পাঞ্জাবিতে।  দেখলেই মন ভালো যায় এমন দৃশ্য। 

মিষ্টি কুমড়োর যত উপকারিতা

সুগারের পেশেন্ট? এই খেতে ভয়, ওই খাবারে বারণ? চোখ বুজে মিষ্টি কুমড়ো খান। হার্টের রোগ থেকে ডায়াবেটিস, মিষ্টি কুমড়ো কাজ করে ম্যাজিকের মতো। হজমের শক্তি বাড়ায়। ত্বক রাখে টানটান। কমিয়ে দেয় বয়স। মিষ্টি কুমড়োয় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন A, ভিটামিন C, ভিটামিন E, বি-কমপ্লেক্স। বিটাক্যারোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, জিঙ্ক, আলফা হাইড্রক্সাইড, আয়রন, ফ্লেভনয়েড, লিউটিন সমৃদ্ধ মিষ্টি কুমড়ো।  ১. ভিটামিন A, বিটাক্যারোটিন চোখের জন্য খুব ভাল।  রেটিনার বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়ো। ২. বিটাক্যারোটিন শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডন্ট। শরীরের ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ প্রতিরোধ করে।  বিভিন্ন দূষণ, স্ট্রেস ও খাবারে যেসব কেমিক্যাল ও ক্ষতিকর উপাদান থাকে, সেগুলোর কারণে ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ হতে শুরু করে। শরীরের কোষ নষ্ট হতে শুরু করে। খারাপ কোষের সংখ্যা বাড়তে থাকে।  এসব প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়ো। ৩. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করে। কোলেস্টেরল কমায়। ধমনীর দেওয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা দেয়।  ফলে, মিষ্টি কুমড়ো নিয়মিত খেলে হার্টের রোগ প্রতিরোধ করে। ৪. মিষ্...

স্বচ্ছ জলে সবুজ বনে

ভরা বর্ষায় কোথায় যাওয়া যায়—শুনেই সিলেটের বন্ধু, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেরে আলম আমন্ত্রণ জানালেন সিলেটে যাওয়ার। জানালেন আবহাওয়াও চমৎকার। ২৮ জুলাই রাতে সিলেটের বাসে উঠলাম স্ত্রী আইরিন আসাদকে নিয়ে। সকালে গিয়ে পৌঁছালাম। থাকার ঠিকানা সিলেট সার্কিট হাউসে। জানালা দিয়ে সুরমা নদীতে চোখ রাখতেই দেখি ঝিরঝিরি বৃষ্টি। মনটা কিছুটা দমে গেলেও আশা ছাড়লাম না। কিছুক্ষণ পরে বৃষ্টি থেমে গেলে মেঘলা আকাশ সঙ্গে নিয়েই যাত্রা শুরু করলাম বিছনাকান্দি আর পাংতুমাই ঝরনার দিকে। সঙ্গী হলেন আরাফাত হোসেন। সিলেট শহর থেকে অটোরিকশায় বিছনাকান্দি যাওয়ার রাস্তাটা এতটাই খারাপ যে কিছুক্ষণ পরপর বিরক্তি লাগছিল। দেড় ঘণ্টার পথ পেরোনোর পরে ট্রলার ভাড়া করার সময় দেখলাম, মাথার ওপর সূর্য! আকাশও বেশ ঝকঝকে। পিয়াইন এলাকা থেকে নৌকা যাত্রা শুরু করল পাংতুমাই ঝরনার দিকে। ভরা বর্ষায় চারদিকে থইথই পানি। পাংতুমাই যাওয়ার পথে পথে রাখাল আর গরু-মহিষের পাল দেখা যায়। কোথাও কোথাও রাজহাঁসের পালও। ক্রমেই পাহাড়ের দিকে এগোতে থাকল নৌকা। দূর থেকে দেখতে কালো পাহাড় আস্তে আস্তে সবুজ হতে থাকল। ঘণ্টা খানেকের পথ শেষে দূর থেকে দেখা যেতে থাকল প...

বেল নাকি তরমুজ? কোনটি খাবেন?

এ সময় তেষ্টা পেলেই পান করছেন বেল না তরমুজের রস।  দুটো ফলই সুস্বাদু।  দেখে নিন কোনটার কী গুণাগুণ। বেল উপকারিতা  ঃ * বেলের শরবত কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। * ক্লান্তি দূর করে। * পাইলস রোগের জন্য বেল অনেক উপকারী। * বেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ করে। * নিয়মিত বেল খেলে কোলন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। * বেলে রয়েছে ভিটামিন এ, যা চোখের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক অঙ্গগুলোর পুষ্টি জোগায়। * বেল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। * বেলের শাঁস পিচ্ছিল ধরনের, যা পাকস্থলীর জন্য উপকার। * বেল থেকে পাওয়া বেটা ক্যারোটিন রঞ্জক মানবদেহের টিউমার কোষের বৃদ্ধি রোধ করে। অপকারিতা  ঃ  যাদের থাইরয়েড রয়েছে, তাদের বেল খাওয়া উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। চিকিৎসকেরা অন্তঃস্বত্বাদেরও অনেক সময় বেল খেতে নিষেধ করেন। খাদ্য উপাদান পানি ৫৪.৯৬-৬১.৫ গ্রাম আমিষ ১.৮-২.৬২ গ্রাম ক্যারোটিন ৫৫ মিলিগ্রাম থায়ামিন ০.১৩ মিলিগ্রাম রিবোফ্লেবিন ১.১৯ মিলিগ্রাম নিয়াসিন ১.১ মিলিগ্রাম টারটারিক অ্যাসিড ২.১১ মিলিগ্রাম ফসফরাস ৫০ ...